এমসিসিআইতে আলোচনা সভা

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি চালুর তাগিদ

কম্পিউটারকে আরো গতিশীল করতে আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার কোয়ান্টাম প্রযুক্তি।

কম্পিউটারকে আরো গতিশীল করতে আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার কোয়ান্টাম প্রযুক্তি। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, চীন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ অনেক দেশ নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বাংলাদেশে এখনো এর ব্যবহার শুরু হয়নি। তবে ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরো সম্প্রসারিত করতে দেশে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি চালুর তাগিদ দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাকক্ষে গতকাল ‘কোয়ান্টাম ফেনোমেনাকে কাজে লাগানো: একটি নতুন বিশ্বের পুনর্গঠন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন বক্তারা।

এমসিসিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কোয়ান্টাম সিটির অন্তর্বর্তী সিইও ড. স্যাম সামদানি। তিনি তার প্রবন্ধে দাবি করেছেন, ২০৪০ সালের মধ্যে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি অর্থনৈতিক বাজারে ১৩৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে, যা ২০৩৫ সালে ৯০ বিলিয়ন ডলার পেরিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ‘ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের ব্যবসায় কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। এসব দেশের বার্ষিক বাজেটেও বরাদ্দ রাখা হয়েছে এ খাতে। বর্তমানে যার পরিমাণ ৪৩ বিলিয়ন ডলার।’

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, ‌আধুনিক প্রযুক্তির হাত ধরে বিশ্বে এখন প্রতিযোগিতার বাজার চলছে। এখানে টিকে থাকতে হলে নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। বাংলাদেশের এসব খাতে বিনিয়োগের সময় এসেছে। কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এ ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তামিম। তিনি বলেন, ‘‌কোয়ান্টাম প্রযুক্তি যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারলে আমাদের উৎপাদন, বাজারসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।’

সভায় আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি হাবিবুল্লাহ এন রহমান, সাবেক সভাপতি মো. আনিস উদ দৌলা।

আরও